r/westbengal

▲ 80 r/westbengal+1 crossposts

কোচবিহার রাজবাড়ির দুর্গাপুজো

কোচ রাজবংশের কুলদেবী অষ্টধাতুর ভবানী দুর্গা মূর্তির অনুকরণে দূর্গা পুজোর মূর্তিটি তৈরি করা হয়। মা দুর্গার কোচবিহার রাজবাড়ির দুর্গাপ্রতিমাটি একেবারে ভিন্নধারার। এখানে দুর্গার পাশে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক এবং গণেশের জায়গায় থাকে দুর্গার দুই সহচরী জয়া এবং বিজয়া। দুর্গার বাহন এখানে সিংহ নয়, বাঘ। মায়ের মুখ আজও তৈরি হয়ে আসছে তুফানগঞ্জ মহকুমার চামটা গ্রামে মহারাজাদের নির্দিষ্ট জমির মাটি থেকে। বড় দেবী এবং মদনমোহন বাড়ির পুজো শুরু হয় মহালয়ার দিন থেকে। মহালয়ার দিন ঘট বসে। তার পর থেকে একটানা সাত দিন অর্থাৎ দশমী পর্যন্ত বিভিন্ন রীতিনীতি মেনে পুজো করা হয়। অষ্টমী তিথিতে গভীর রাতে গুপ্ত পূজার মাধ্যমে দেবীকে উৎসর্গ করা হয় নররক্ত। এখনও অষ্টমীর পুজোয় পায়রা, পাঁঠা এবং মহিষ বলি হয়।

এক সময় পুজোয় হত নরবলি। মহারাজা নরেন্দ্র নারায়ণ তা বন্ধ করে দেন। সে সময় থেকে নরবলির জায়গায় নর-রক্ত উৎসর্গ করার রেওয়াজ শুরু হয়। বলি দেওয়া হয় চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি মানুষের প্রতীক একটি পুতুলকে। আজও কোচবিহারের কালজানি গ্রামের শিবেন রায়ের পরিবার প্রতি বছর নর-রক্ত দিয়ে থাকে। নবমীতে থাকে অন্নভোগ। বোয়াল মাছ দিয়ে রান্না করা হয় খিচুড়ি।এ ছাড়া মহারাজা নরেন্দ্রনারায়ণের আমলে তিন দিন বলি প্রথা বজায় ছিল। ছাগ, মহিষ, কচ্ছপ ও পাখি বলি হত। মহারাজ নিজে মহিষ বলি দিতেন। একবার বাঘ অবধি বলি দিয়েছিলেন।

বিজয়া দশমীতে সকালবেলায় বড়দেবী দূর্গা প্রতিমা বিসর্জনের জন্য রাজবাড়ির নিজস্ব যমুনা দিঘিতে নিয়ে যাওয়া হয় , বিসর্জনের আগে পুকুর ঘাটে হালুয়া পুজো হয়। পুজোয় যে রাজকর্মচারী ফুল যোগান দিয়ে থাকে, তাকে বলে হালুয়া। পুজো শেষে প্রতিমা খন্ড খন্ড করে নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমা বিসর্জনের সময় কোচবিহার রাজপরিবারের সদস্যদের দেখা নিষিদ্ধ বলে তারা এই বিসর্জনে অনুপস্থিত থাকেন।

u/destinationuknown — 5 days ago

বলছি যে বিরাটী কি বাংলাদেশে?

এটা মনে হয় বাংলাদেশের ঘটনা নাকি? না মানে পশ্চিমবঙ্গে তো এখন হিন্দুত্ববাদীদের সরকার, আর মুখ্যমন্ত্রী তো নিজে বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গকে গ্রেটার বাংলাদেশ হতে দেননি, তাহলে এটা নিশ্চয়ই বাংলাদেশেরই ঘটনা হবে!

Source-

https://www.facebook.com/100064454961870/posts/1551462183678932/?app=fbl

u/Safe-Rise-4790 — 13 days ago