
নারীর নিরাপত্তা নিয়ে কার কি ভাবনা?
নারী সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান ও প্রধান অংশ। নারীর গর্ভের মধ্যে কোন জীবন্ত দেহ প্রাণসঞ্চার করতে পারে বলেই, আজকের এই মানবজাতি তৈরি হয়েছে। আমাদের মায়েদের অন্তরে আল্লাহ তায়ালা আদর, সোহাগ ও স্নেহ দিয়েছেন, বলেই আজকে মানব ইতিহাস হাজার হাজার বছর অতিক্রম করেছে। মায়েদের এই গর্ভধারণ, সুশৃঙ্খল প্রচেষ্টা ও মায়ার আদর অন্য যেকোন প্রাণীর থেকে বেশি, এইজন্যই মানবজাতি সকল প্রাণীর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে।
যেকোন প্রাণীর যদি নারী অংশের উপর জুলুম, অবিচার ও উপেক্ষা লঘু হিসাবে দেখা হয়। তাহলে সেই প্রাণী ধীরে ধীরে পৃথিবীতে থেকে হারিয়ে যাব্ব। বলতে চাচ্ছি, মানুষের মধ্যে নারী অংশের উপর আমরা কোন নিয়ম চালাচ্ছি? এতে তাদের উপর ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিনা?
যখন কোন কোন বস্তু, ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠীকে নিরাপত্তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তখন সরাসরি তার উপর অন্যায়কে তো ব্লক করতেই হবে। এবং অন্যায় হবার সকল পথকে বন্ধ করতে হবে। নারীদের নিরাপত্তা প্রদান করতে তাদের উপর জুলুমের তড়িৎ গতিতে সর্বোচ্চ শাস্তি/মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে হবে। এমনকি জুলুমকারীদেরকে নৃশংস মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। নারীদেরকে সমাজের নিকট সহজলভ্য হিসাবে দেখানো যাবেনা, তাদের একটি প্রডাক্ট হিসাবে দেখানো যাবে। নারীদের রূপকে অব্জেক্টিফাই করা যাবেনা, তাদের রূপকে ব্যবহার করে সমাজের নিকট হিরো বানানো যাবেনা। নারীকে রূপের বাইরে একজন নিয়মিত কর্মঠ ব্যক্তি হিসাবে চিন্তা করা লাগবে।
যদিও আমাদের পশ্চিমা বিশ্ব নারীকে এবং তাদের রূপকে সমাজে অব্জেক্টিফাই করে প্রচার করে। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কোন চিন্তা নেই। তারা নারীদের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে, নিরাপত্তা নিয়ে নয়। আমাদের সমাজের আরো ভাবা উচিত, কিভাবে নারী নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা যায়। কারণ নারীরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ। তারাই এই পৃথিবীর বংশধারাকে টিকিয়ে রেখেছে। নারীদের সন্মান করা মানে মূলত পৃথিবীর সকল মানুষকে সন্মান করা।