চান্স পেয়ে দেখাও University"।

শুরু করবো লেখার স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে। এই প্ল্যাটফর্মে সবাই লিখতে পারে, সবার স্বাধীনতা দিয়ে লিখতে পারে যার যার দর্শন থেকে নিজের মনের মাধুরী মিলিয়ে লেখে। তাতে মাঝে মাঝে কারোর দু-একটা চুলচেরা থেকে তুলকালাম কাণ্ড হয়। কারোর মানহানিও হয়ে থাকে।

স্বাধীনতা কোনো ব্যক্তিগত জিনিস না। একটা সমষ্টিগত স্বাধীনতার ধারণা আজও আমাদের মধ্যে বিদ্যমান নয়। স্বাধীনতার সাথে সাথে বেশ কয়েকটি ব্যাপারও যুক্ত থাকে, সেটা আমরা মানব জাতি অথবা বাঙালি জাতি এখনো পুরোপুরি বুঝতে শিখিনি। স্বাধীনতার সাথে যে অন্যের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব থাকে সেটা আমরা কজন অনুভব করি! বা অন্যের স্বাধীনতা রক্ষার মতো সহানুভূতি কি আমরা অনুভব করি?

Institutional Pride:

ববি হাজ্জাজ স্যার-এর সমালোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোচিং সেন্টার বলে উল্লেখ করলেন। তখন নিজের ইনস্টিটিউটকে বিদ্রূপ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেজরিটি শিক্ষার্থীর বুকে যেন জ্বালা আর অপমানবোধ তীব্রভাবে ধরে বসলো। চলে আসলো নিজের ইনস্টিটিউটকে নিয়ে নিচু করে মন্তব্য করার প্রতিবাদের হুঙ্কার। আর যাই হোক বাংলাদেশে DU ছাত্রদের হুঙ্কার থাকবেই।

এক গ্রামে DU-তে কোনো ছাত্র চান্স পেলে সেই ছাত্রের বুদ্ধিবৃত্তিক বয়ানে তার বল্লভবন্ধু আর পরিবারবর্গে যেন একটা জ্বালা জ্বালা ভাব হয়ে উঠে। কিছু বললেই বলবে এখন "চান্স পেয়ে দেখাও"।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্র যেন দেশের হীরের টুকরো। এই হীরের টুকরোদের ঝমকালো গৌরবময় extra curriculum গুলো উল্লেখ করবো (আজ আর কোনো positive দিক নিয়ে আলোচনা হবে না কারণ positive আলোচনা করতে করতে TV talk show-এর বক্তারা ক্লান্ত। তাই আজ negative চলবে।)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিনতাই করতে ওস্তাদ। র‍্যাগ দিতে ওস্তাদ। মিছিল নামাইতে ওস্তাদ। আর যারা এসবের ওস্তাদ হতে পারে না, দেশের খাইয়া দেশের পড়িয়া দেশের system-কে দোষ দিয়ে বিদেশ যায়। আর যারা আরেকটু শেয়ানা এরা join করে politics-এ। নিজে চাটে, junior-দের চাটতে শিখায়। এরপর ঢুকে সরকারি চাকরিতে, করে দুর্নীতি।

"ভাই exception আছে। গণহারে খারাপ বলতে পারেন না।" — এমন সবাইকে খুশি করার মতো আলোচনা আজ আর হচ্ছে না।

আপাতত ছাত্রদের আলাপ ছেড়ে যদি আরেক আলাপে যাই। একটা দেশের education system এতটাই বেহায়া আর সংকীর্ণমনা লোকদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে যে ববি স্যারের সমালোচনার জবাব একজন DU-এর অধ্যাপক দিতে গিয়ে এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন যে তার intellectual capability use করে structural counter না দিয়ে তার মাথার মগজটারে পায়ুপথে হাইগা বের কইরা দিয়া রিকশাওয়ালার মতো জবাব দেয়— "NSU, BRAC-কে University-ই মনে করি না।"

As expected from Professor of "চান্স পেয়ে দেখাও University"।

Private University গুলোও পিছায়নি। দেশের প্রথম সারির Private University-এর পোলাপান Public-এর পোলাপাইনের থেকে আরো বেশি শেয়ানা। DU যেমন সংখ্যায় কম হলেও ছিনতাইকারীদের intellectual capability বাড়ানোর জন্য শিক্ষা দেয়, ঠিক তেমন প্রথম সারির Private University-গুলো বিশ্বাস করে শিক্ষা সবার জন্য। ঠিক এই জন্য সংখ্যায় কম হলেও prostitute-দের ভর্তি নিচ্ছে। এতে করে ৬k prostitute-দের price ২৫k আর ২৫k-এর দাম ১ লাখ হয়। কারণ সে প্রথম সারির Private University-এর tag পেয়েছে। শিক্ষার জন্য prostitution পেয়েছে multiple dimension। এখন আর directly cash-ও নেয় না, আরও dimensional way-তে transaction-গুলো হয়। এতে society-তে বেড়েছে prostitute-দের acceptancy। সমাজ শিখেছে prostitute-দেরও সমাজে সম্মান আছে।

(As I believe from the core of my heart that prostitution is the most transparent business in the world. I do respect them.)

Private-এর ছাত্ররা আবার সব আলোচনায় সময় নষ্ট করে না। যেমন "চান্স পেয়ে দেখাও University"-এর অধ্যাপকের উসকানিমূলক কথায় কানই দিল না। কারণ এরা আছে একটা মাত্র ধান্ধায়— কীভাবে দেশের বাইরে গিয়ে একবার settle হওয়া যায়। কারণ দেশের মানুষ তো সব খারাপ, দেশের system ভালো না। ভালো শুধু আমি নিজেই। তাই সে বিশ্বাস করে সে একটা সুন্দর জীবন deserve করে।

Soc., Ethics, History-এর মতো যত GED course আছে, এগুলোকে CG উঠানোর bumper ফসল মনে করে গিলে বমি করে mark এনে CG বাড়ায়। CG পেলেই সব ভুলে যায়। আর GED course-এ বেশি প্যারা দিলেই চিল্লায় চিল্লায় কয়— GED course-এ এত প্যারা থাকবে কেন? কারণ তারা তো major course করেই degree-টা পেলেই হয়। GED পড়ে এত History, Nationalism, Morality শেখার দরকার তো নেই।

কি, Private-এ তো সব বড়লোকের ছেলে-মেয়ে পড়ে— এমন ধারণা সবার?

না, এখানেও চুরি-ব্যাটপারি চলে। এই যে Bobby Sir-এরই বানানো Club North South University-এর Ethics and Diversity Club-এ না আছে কোনো ethics, না আছে diversity। এই culture এতই peak-এ এই Private University-গুলোতে যে campus-এ department-এর থেকে club ১০ গুণ বেশি ক্লাব। Culture practice-এর জন্য এত ধরনের cultural club হয়েছে যে বোঝাই মুশকিল campus-এ কোন দেশের culture practice করছে।সংস্কৃতি বলতে খালি এরা বুজে বৈশাখের নাচ আর গান।বাংলার সংস্কৃতি বলতে খালি বুজে এই দুই।

এর মধ্যে নতুন একটা culture create হয়ে গেছে। এটা আবার open secret। Event-এর পর event নামায়, event-এর budget cut করে club-এর পোলাপান মিলে tour-এ যায়। Club-এর president, Trump President-এর attitude-কেও হার মানায়। এই club-এর event থেকে Private University-ও কম ব্যবসা করে না। প্রতি ক্ষেত্রেই যেন প্রমাণ দেয়— আমি বাঙালি, দুর্নীতি আমার রক্তে। সেটা Public হোক আর Private হোক।

July যোদ্ধা:

July নিয়ে মশকরা করে এখন অনেকেই। কিন্তু July নিয়ে মশকরা শুরু করছে July যোদ্ধারাই। July যেন এক প্রাচীন কালে জঙ্গলে দাবানলের কারণে পুড়ে যাওয়া আস্ত গরুর মাংসের সুবাসে ছুটে যাওয়া প্রাচীন যুগের সম্পূর্ণ নগ্ন অথবা অর্ধনগ্ন আদিম মানুষের দল, যাদের আহাজারি দেখেই বুঝা যাচ্ছিল পেটে কত খুদা। এক টুকরো Committee যেন Private University-এর কিছু ক্ষুধার্ত ছাত্রছাত্রী যাতে পায়। Public University পুরোই form-এ তখন। উত্তেজনায় তারা যেন এই মাংসের ভাগ Public বাদে কাউকেই দিবে না।

Public University-এর ছাত্ররা যে যেখানে পারে সেখানেই নিজের ক্ষমতা জানান দিতে সফল।  BNP'র ছাত্রদলের ১৭ বছরের বাসনায় ভাগ বসাতে পারে— কে এটা আল্লাহ ছাড়া কে জানত না। চুপসে যায় মুখখানা অনেকের (পর্দার আড়ালের এসব দৃশ্য কল্পনা করাই পর্যন্ত)।

July যোদ্ধাদের ক্ষমতা practice করার ব্যাপারটা বাংলাদেশের কেউই মেনে নিতে পারেনি এখনো পুরোপুরি। ক্ষমতা হচ্ছে এমন এক জিনিস যা practice না করলে বাড়েও না, বরং কমতে থাকে।

Public-এর পোলাপাইন ক্ষমতা gain করলেও খুব চিপায় পড়ে গেছে Private-এর পোলাপানরা। কারণ front line-এ যারা থাকে, এদের শক্তি থাকে মিছিলের পেছনের মানুষ। এখন Private-এর পোলাপান— আগেই বলছিলাম Public-এর পোলাপাইনের থেকে একটু বেশি শেয়ানা— এরা আন্দোলনের পর ফিরছে বাড়িতে, পড়ার টেবিলে, নিজ নিজ কাজে। Private-এর front liner-এর কিছু ক্ষুধার্ত wannabe leader হওয়ার স্বপ্নে পড়ল ফাটল।

তবুও থেমে নেই। ক্ষমতা চর্চার চেষ্টা বন্ধ হয়নি। ছোট-বড়, ছিঁচকে চোর আর ছিনতাইকারী— এগুলোরে ধইরা July যোদ্ধার ক্ষমতা practice চলসে।

একটু কিছু হইলেই আবার মাঝে মাঝে Facebook-এ post আর platform-এ ফাঁক-ফোকর দিয়ে নিজেদের July যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার chance এরা miss করতে চায় না। Issue খুঁজতে থাকে— কখন July যোদ্ধার পরিচয়টা দিয়ে issue সমাধান করে ক্ষমতার বিস্তার করা যায়।

মাঝে মাঝে BAL (Bangladesh Awami League)-এর বিরোধিতা করতে করতে নিজেদের আচরণেই দুই-এক সময় BAL-এর মতো হয়ে যায়, টের পায় না। অনেকে টের পেলেও মনরে বুঝায়— "আমি তো July যোদ্ধা।"

শেষ কথা:

আমার এই বাংলাদেশের জন্মের থেকে লোকে অভাব দেখসে। অভাব না দেখলেও নিজের অবস্থার থেকে একটু ভালো বা ক্ষমতাবান লোকদের দেইখা সেই অবস্থানে যাওয়ার প্রবণতা universal truth। ঠিক এই জায়গা থেকেই genetics-এর মধ্যে ঢুকছে দুর্নীতি, অন্যরে চাটা আর সম্মানের মধ্যে পার্থক্যের ফারাক মিটা গেছে।

কিছু বড় position-এ বসা লোক এসব তেলাতেলি পছন্দ করে না। তবুও দেখবেন জোর করে জিভটা দিয়া চাটা দিতে চাইবে। Sir চাটতে না দিলে Sir-এর কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে না— সবই বুঝে।

DU, BUET, BRAC, NSU, SUST এসব University-তে পড়ে দেশের বাইরে গিয়ে অনেক হীরার টুকরা হীরা হওয়ার প্রমাণ দিলেও তাদেরও খুব একটা ঘষামাজা করা হয় না Asian বইলা। সাদা চামড়ার বিদেশিরা একটু দূর দূর করেই রাখে বাঙালি হীরার টুকরাদের। এতেই অভ্যস্ত ancestor থেকেই পাওয়া স্বভাব— বিদেশিদের সাথে একটু তেলতেলা ব্যবহার দেখানো।

কিন্তু এরা দেশের মাটিতে আইসা দেশের পোলাপাইনের যাতে দেশের বাইরে গিয়া 3rd class citizenship-এর মর্যাদা নিয়ে থাকতে না হয় সেই initiative কেউ নেয় না। খালি কয়— দেশের মানুষ ভালো না, দেশের system ভালো না।

এখানেই যখন তখন রাস্তায় মৃত্যু হয়— এই কারণ দেখাইয়া সোনার টুকরা, হীরার টুকরা ছেলে-মেয়েরা বিদেশ গিয়া আরামের একটা guinea pig-এর জীবন কাটায় দেয়।

আর দেশে এক শিক্ষকের আলোচনা আমলে না নিয়া নিজের "চান্স পেয়ে দেখা University"-এর development কিভাবে করা যায় তা নিয়া না ভাইবা রিকশাওয়ালার brain ধার নিয়া জবাব দেয়। যদিও রিকশাওয়ালা মামারা এখন ওদের থেকে ভালো analysis করতে পারে, আরও ভালো মুখের ভাষা দিয়া।

আর একদিকে Public-এর হীরার টুকরা গুলো খালি আন্দোলনে নেমে যাওয়ার হুমকি দেয় ভেড়ার পালের মতো। আর Private-এর গুলা নিজের বাপ-দাদার সম্পত্তি বিক্রি কইরা NSU, BRAC-এ আইসা ভর্তি হয়। আর সেই টাকা দিয়া নিজেরে অন্যদের সাথে তাল মিলাইতে গিয়া নিজের কাপড় তো পাল্টায়ই, সাথে সাথে পাল্টায় নিজের personality। ধার করে একটা fake personality।

মেয়েদের গল্প বললে তো আর এই আলোচনা শেষ হয় না।

Institutional Pride করার মতো বাংলাদেশের কোনো Institute হয়নি এখন পর্যন্ত। কোনো Institute বাংলাদেশের মানুষের জীবন-ব্যবস্থার ভাগ্য বদল করার মতো যুগান্তকারী কোনো কিছুর প্রমাণ নেই।

​

reddit.com
u/ekbindu — 3 days ago

চান্স পেয়ে দেখাও University"।

শুরু করবো লেখার স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে। এই প্ল্যাটফর্মে সবাই লিখতে পারে, সবার স্বাধীনতা দিয়ে লিখতে পারে যার যার দর্শন থেকে নিজের মনের মাধুরী মিলিয়ে লেখে। তাতে মাঝে মাঝে কারোর দু-একটা চুলচেরা থেকে তুলকালাম কাণ্ড হয়। কারোর মানহানিও হয়ে থাকে।

স্বাধীনতা কোনো ব্যক্তিগত জিনিস না। একটা সমষ্টিগত স্বাধীনতার ধারণা আজও আমাদের মধ্যে বিদ্যমান নয়। স্বাধীনতার সাথে সাথে বেশ কয়েকটি ব্যাপারও যুক্ত থাকে, সেটা আমরা মানব জাতি অথবা বাঙালি জাতি এখনো পুরোপুরি বুঝতে শিখিনি। স্বাধীনতার সাথে যে অন্যের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব থাকে সেটা আমরা কজন অনুভব করি! বা অন্যের স্বাধীনতা রক্ষার মতো সহানুভূতি কি আমরা অনুভব করি?

Institutional Pride:

ববি হাজ্জাজ স্যার-এর সমালোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোচিং সেন্টার বলে উল্লেখ করলেন। তখন নিজের ইনস্টিটিউটকে বিদ্রূপ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেজরিটি শিক্ষার্থীর বুকে যেন জ্বালা আর অপমানবোধ তীব্রভাবে ধরে বসলো। চলে আসলো নিজের ইনস্টিটিউটকে নিয়ে নিচু করে মন্তব্য করার প্রতিবাদের হুঙ্কার। আর যাই হোক বাংলাদেশে DU ছাত্রদের হুঙ্কার থাকবেই।

এক গ্রামে DU-তে কোনো ছাত্র চান্স পেলে সেই ছাত্রের বুদ্ধিবৃত্তিক বয়ানে তার বল্লভবন্ধু আর পরিবারবর্গে যেন একটা জ্বালা জ্বালা ভাব হয়ে উঠে। কিছু বললেই বলবে এখন "চান্স পেয়ে দেখাও"।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্র যেন দেশের হীরের টুকরো। এই হীরের টুকরোদের ঝমকালো গৌরবময় extra curriculum গুলো উল্লেখ করবো (আজ আর কোনো positive দিক নিয়ে আলোচনা হবে না কারণ positive আলোচনা করতে করতে TV talk show-এর বক্তারা ক্লান্ত। তাই আজ negative চলবে।)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিনতাই করতে ওস্তাদ। র‍্যাগ দিতে ওস্তাদ। মিছিল নামাইতে ওস্তাদ। আর যারা এসবের ওস্তাদ হতে পারে না, দেশের খাইয়া দেশের পড়িয়া দেশের system-কে দোষ দিয়ে বিদেশ যায়। আর যারা আরেকটু শেয়ানা এরা join করে politics-এ। নিজে চাটে, junior-দের চাটতে শিখায়। এরপর ঢুকে সরকারি চাকরিতে, করে দুর্নীতি।

"ভাই exception আছে। গণহারে খারাপ বলতে পারেন না।" — এমন সবাইকে খুশি করার মতো আলোচনা আজ আর হচ্ছে না।

আপাতত ছাত্রদের আলাপ ছেড়ে যদি আরেক আলাপে যাই। একটা দেশের education system এতটাই বেহায়া আর সংকীর্ণমনা লোকদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে যে ববি স্যারের সমালোচনার জবাব একজন DU-এর অধ্যাপক দিতে গিয়ে এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন যে তার intellectual capability use করে structural counter না দিয়ে তার মাথার মগজটারে পায়ুপথে হাইগা বের কইরা দিয়া রিকশাওয়ালার মতো জবাব দেয়— "NSU, BRAC-কে University-ই মনে করি না।"

As expected from Professor of "চান্স পেয়ে দেখাও University"।

Private University গুলোও পিছায়নি। দেশের প্রথম সারির Private University-এর পোলাপান Public-এর পোলাপাইনের থেকে আরো বেশি শেয়ানা। DU যেমন সংখ্যায় কম হলেও ছিনতাইকারীদের intellectual capability বাড়ানোর জন্য শিক্ষা দেয়, ঠিক তেমন প্রথম সারির Private University-গুলো বিশ্বাস করে শিক্ষা সবার জন্য। ঠিক এই জন্য সংখ্যায় কম হলেও prostitute-দের ভর্তি নিচ্ছে। এতে করে ৬k prostitute-দের price ২৫k আর ২৫k-এর দাম ১ লাখ হয়। কারণ সে প্রথম সারির Private University-এর tag পেয়েছে। শিক্ষার জন্য prostitution পেয়েছে multiple dimension। এখন আর directly cash-ও নেয় না, আরও dimensional way-তে transaction-গুলো হয়। এতে society-তে বেড়েছে prostitute-দের acceptancy। সমাজ শিখেছে prostitute-দেরও সমাজে সম্মান আছে।

(As I believe from the core of my heart that prostitution is the most transparent business in the world. I do respect them.)

Private-এর ছাত্ররা আবার সব আলোচনায় সময় নষ্ট করে না। যেমন "চান্স পেয়ে দেখাও University"-এর অধ্যাপকের উসকানিমূলক কথায় কানই দিল না। কারণ এরা আছে একটা মাত্র ধান্ধায়— কীভাবে দেশের বাইরে গিয়ে একবার settle হওয়া যায়। কারণ দেশের মানুষ তো সব খারাপ, দেশের system ভালো না। ভালো শুধু আমি নিজেই। তাই সে বিশ্বাস করে সে একটা সুন্দর জীবন deserve করে।

Soc., Ethics, History-এর মতো যত GED course আছে, এগুলোকে CG উঠানোর bumper ফসল মনে করে গিলে বমি করে mark এনে CG বাড়ায়। CG পেলেই সব ভুলে যায়। আর GED course-এ বেশি প্যারা দিলেই চিল্লায় চিল্লায় কয়— GED course-এ এত প্যারা থাকবে কেন? কারণ তারা তো major course করেই degree-টা পেলেই হয়। GED পড়ে এত History, Nationalism, Morality শেখার দরকার তো নেই।

কি, Private-এ তো সব বড়লোকের ছেলে-মেয়ে পড়ে— এমন ধারণা সবার?

না, এখানেও চুরি-ব্যাটপারি চলে। এই যে Bobby Sir-এরই বানানো Club North South University-এর Ethics and Diversity Club-এ না আছে কোনো ethics, না আছে diversity। এই culture এতই peak-এ এই Private University-গুলোতে যে campus-এ department-এর থেকে club ১০ গুণ বেশি ক্লাব। Culture practice-এর জন্য এত ধরনের cultural club হয়েছে যে বোঝাই মুশকিল campus-এ কোন দেশের culture practice করছে।সংস্কৃতি বলতে খালি এরা বুজে বৈশাখের নাচ আর গান।বাংলার সংস্কৃতি বলতে খালি বুজে এই দুই।

এর মধ্যে নতুন একটা culture create হয়ে গেছে। এটা আবার open secret। Event-এর পর event নামায়, event-এর budget cut করে club-এর পোলাপান মিলে tour-এ যায়। Club-এর president, Trump President-এর attitude-কেও হার মানায়। এই club-এর event থেকে Private University-ও কম ব্যবসা করে না। প্রতি ক্ষেত্রেই যেন প্রমাণ দেয়— আমি বাঙালি, দুর্নীতি আমার রক্তে। সেটা Public হোক আর Private হোক।

July যোদ্ধা:

July নিয়ে মশকরা করে এখন অনেকেই। কিন্তু July নিয়ে মশকরা শুরু করছে July যোদ্ধারাই। July যেন এক প্রাচীন কালে জঙ্গলে দাবানলের কারণে পুড়ে যাওয়া আস্ত গরুর মাংসের সুবাসে ছুটে যাওয়া প্রাচীন যুগের সম্পূর্ণ নগ্ন অথবা অর্ধনগ্ন আদিম মানুষের দল, যাদের আহাজারি দেখেই বুঝা যাচ্ছিল পেটে কত খুদা। এক টুকরো Committee যেন Private University-এর কিছু ক্ষুধার্ত ছাত্রছাত্রী যাতে পায়। Public University পুরোই form-এ তখন। উত্তেজনায় তারা যেন এই মাংসের ভাগ Public বাদে কাউকেই দিবে না।

Public University-এর ছাত্ররা যে যেখানে পারে সেখানেই নিজের ক্ষমতা জানান দিতে সফল।  BNP'র ছাত্রদলের ১৭ বছরের বাসনায় ভাগ বসাতে পারে— কে এটা আল্লাহ ছাড়া কে জানত না। চুপসে যায় মুখখানা অনেকের (পর্দার আড়ালের এসব দৃশ্য কল্পনা করাই পর্যন্ত)।

July যোদ্ধাদের ক্ষমতা practice করার ব্যাপারটা বাংলাদেশের কেউই মেনে নিতে পারেনি এখনো পুরোপুরি। ক্ষমতা হচ্ছে এমন এক জিনিস যা practice না করলে বাড়েও না, বরং কমতে থাকে।

Public-এর পোলাপাইন ক্ষমতা gain করলেও খুব চিপায় পড়ে গেছে Private-এর পোলাপানরা। কারণ front line-এ যারা থাকে, এদের শক্তি থাকে মিছিলের পেছনের মানুষ। এখন Private-এর পোলাপান— আগেই বলছিলাম Public-এর পোলাপাইনের থেকে একটু বেশি শেয়ানা— এরা আন্দোলনের পর ফিরছে বাড়িতে, পড়ার টেবিলে, নিজ নিজ কাজে। Private-এর front liner-এর কিছু ক্ষুধার্ত wannabe leader হওয়ার স্বপ্নে পড়ল ফাটল।

তবুও থেমে নেই। ক্ষমতা চর্চার চেষ্টা বন্ধ হয়নি। ছোট-বড়, ছিঁচকে চোর আর ছিনতাইকারী— এগুলোরে ধইরা July যোদ্ধার ক্ষমতা practice চলসে।

একটু কিছু হইলেই আবার মাঝে মাঝে Facebook-এ post আর platform-এ ফাঁক-ফোকর দিয়ে নিজেদের July যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার chance এরা miss করতে চায় না। Issue খুঁজতে থাকে— কখন July যোদ্ধার পরিচয়টা দিয়ে issue সমাধান করে ক্ষমতার বিস্তার করা যায়।

মাঝে মাঝে BAL (Bangladesh Awami League)-এর বিরোধিতা করতে করতে নিজেদের আচরণেই দুই-এক সময় BAL-এর মতো হয়ে যায়, টের পায় না। অনেকে টের পেলেও মনরে বুঝায়— "আমি তো July যোদ্ধা।"

শেষ কথা:

আমার এই বাংলাদেশের জন্মের থেকে লোকে অভাব দেখসে। অভাব না দেখলেও নিজের অবস্থার থেকে একটু ভালো বা ক্ষমতাবান লোকদের দেইখা সেই অবস্থানে যাওয়ার প্রবণতা universal truth। ঠিক এই জায়গা থেকেই genetics-এর মধ্যে ঢুকছে দুর্নীতি, অন্যরে চাটা আর সম্মানের মধ্যে পার্থক্যের ফারাক মিটা গেছে।

কিছু বড় position-এ বসা লোক এসব তেলাতেলি পছন্দ করে না। তবুও দেখবেন জোর করে জিভটা দিয়া চাটা দিতে চাইবে। Sir চাটতে না দিলে Sir-এর কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে না— সবই বুঝে।

DU, BUET, BRAC, NSU, SUST এসব University-তে পড়ে দেশের বাইরে গিয়ে অনেক হীরার টুকরা হীরা হওয়ার প্রমাণ দিলেও তাদেরও খুব একটা ঘষামাজা করা হয় না Asian বইলা। সাদা চামড়ার বিদেশিরা একটু দূর দূর করেই রাখে বাঙালি হীরার টুকরাদের। এতেই অভ্যস্ত ancestor থেকেই পাওয়া স্বভাব— বিদেশিদের সাথে একটু তেলতেলা ব্যবহার দেখানো।

কিন্তু এরা দেশের মাটিতে আইসা দেশের পোলাপাইনের যাতে দেশের বাইরে গিয়া 3rd class citizenship-এর মর্যাদা নিয়ে থাকতে না হয় সেই initiative কেউ নেয় না। খালি কয়— দেশের মানুষ ভালো না, দেশের system ভালো না।

এখানেই যখন তখন রাস্তায় মৃত্যু হয়— এই কারণ দেখাইয়া সোনার টুকরা, হীরার টুকরা ছেলে-মেয়েরা বিদেশ গিয়া আরামের একটা guinea pig-এর জীবন কাটায় দেয়।

আর দেশে এক শিক্ষকের আলোচনা আমলে না নিয়া নিজের "চান্স পেয়ে দেখা University"-এর development কিভাবে করা যায় তা নিয়া না ভাইবা রিকশাওয়ালার brain ধার নিয়া জবাব দেয়। যদিও রিকশাওয়ালা মামারা এখন ওদের থেকে ভালো analysis করতে পারে, আরও ভালো মুখের ভাষা দিয়া।

আর একদিকে Public-এর হীরার টুকরা গুলো খালি আন্দোলনে নেমে যাওয়ার হুমকি দেয় ভেড়ার পালের মতো। আর Private-এর গুলা নিজের বাপ-দাদার সম্পত্তি বিক্রি কইরা NSU, BRAC-এ আইসা ভর্তি হয়। আর সেই টাকা দিয়া নিজেরে অন্যদের সাথে তাল মিলাইতে গিয়া নিজের কাপড় তো পাল্টায়ই, সাথে সাথে পাল্টায় নিজের personality। ধার করে একটা fake personality।

মেয়েদের গল্প বললে তো আর এই আলোচনা শেষ হয় না।

Institutional Pride করার মতো বাংলাদেশের কোনো Institute হয়নি এখন পর্যন্ত। কোনো Institute বাংলাদেশের মানুষের জীবন-ব্যবস্থার ভাগ্য বদল করার মতো যুগান্তকারী কোনো কিছুর প্রমাণ নেই।

​

reddit.com
u/ekbindu — 18 days ago