
১০১ জন নারীকে ধর্ষণ করার পর তওবা করে সাধু হয়ে যাবে
২০০৯ সালে ১১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ উঠেছিল, সে নারীদের ওপর অকল্পনীয় নির্যাতন চালিয়েছে— যা শুনলেও মানুষের গা শিউরে ওঠে।
সে নাকি মনে মনে ঠিক করে রেখেছিল, ১০১ জন নারীকে ধর্ষণ করার পর তওবা করে সাধু হয়ে যাবে। আদালত ২০০৯ সালেই তার ফাঁসির আদেশ দেয়। কিন্তু ২০২৬ সালেও সেই রায় কার্যকর হয়নি।
প্রায় সতেরো বছর ধরে জেলের ভেতর আরামে আছে সে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় খাওয়া-দাওয়া, চিকিৎসা— সবকিছু চলছে। অথচ যাদের মেয়ে-বোনকে সে নির্যাতন করে হত্যা করেছে, তাদের পরিবারের ট্যাক্সের টাকাতেও এই খরচ উঠছে।
একজন নৃশংস অপরাধীকে বছরের পর বছর জেলে বসিয়ে রেখে রাষ্ট্র কী বার্তা দিচ্ছে? আমরা ট্যাক্স দেই নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য, কিন্তু পাই শুধু দীর্ঘসূত্রিতা আর বিচারহীনতা।
ভিকটিমদের পরিবারগুলো আজও ন্যায়ের অপেক্ষায় আছে। জেলে আরামে থাকা নয়, আমরা চাই দ্রুত ও সঠিক বিচার। না হলে এই ব্যবস্থা শুধু অপরাধীদেরই উৎসাহিত করবে।
সোর্স